Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করার উপায় ।

নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করার উপায় ?
তথ্য আদান প্রদান করার সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ.খুলে নেওয়া হলে বা কোনো ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হতে পারে। নানাভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং বাহ্যিকভাবে নষ্ট প্রায় কার্ডকে ঠিক করতে ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা না গেলে আপনাকে এই সফটওয়্যার সমাধান দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে পড়তে (রিড) পারে না।

এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকে আমরা মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারি।
এ জন্য কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার য়াপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run as administrator নির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড
প্রম্পট চালু হলে এখানে chkdsk mr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ। কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ লেটার যে টি দেখাবে সেটি এখানে লিখে চেক ডিস্কের কাজটি সম্পন্ন হতে দিন।
এখানে convert lost chains to files বার্তা এলে y চাপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল কাঠামো ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদি invalid file system দেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে FAT নির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি
কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।
Read more

এন্ডোয়েড ব্যবহার করছেন?যেকোনো মুহুর্তে আপনার ফোনের Power বাটন নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা? অথবা হয়ে গেছে? দেখেনিন একনজরে।

যারা এন্ডোয়েড ফোন ব্যবহার করেন যাদের অনেকের ফোনের power বাটন নষ্ট হয়ে গেছে বা হওয়ার মত অবস্থা তারা একটু মাথা খাটালেই অনেকাংশ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।
কিভাবে? বলছি, একটু ধৈর্য ধরুন।
ধাপঃ
১.আপনার ফোন যদি চালু করা থাকে অথবা কোনভাবে চালুকরতে পারেন তাহলেই হল। এবার আপনার ফোনের সেটিংস থেকে "Schedule power on & off" option ব্যবহার অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময় সেট করে দিন। এতে আপনার ফোন যদি কোন কারনে বন্ধ হয় তখন ওই নির্দিষ্ট সময়ে চালু হয়ে যাবে।power বাটন এর দরকার হবে না।


২.এবার ধরুন আপনার এই ফোনের সিম অথবা মেমুরি কার্ড পরিবর্তন করতে চান। ব্যাটারি খুললে বন্ধ হয়ে যাবে।তখন আবার ওই টাইমের জন্য অপেক্ষা করতে হবে? না।এবার যা করতে হবে ব্যাটারি খুলে সিম,মেমুরি বদলানোর আগে "Schedule power on & off" টা change করে সিম,মেমুরি বদলাতে কতক্ষণ লাগবে সেটা অনুমান করে সেট করে দেন।ব্যাস আপনার দেয়া টাইমে চালু হয়ে যাবে।
**যাদের নষ্ট হবার সম্ভাবনা আছে তারাও এটা করে রাখতে পারেন।কাজে দেবে।আমার করা ছিল বলে বেচে গেছি। ঠিক করতে কিছু সময় আর টাকার ব্যাপার বলে কথা।
[বিঃ দ্রঃ যদি কার ফোনের "Schedule power on & off" না থাকে অথবা খুজে না পান তাহলে "Clock" থেকে এলার্ম (Alarm)সেট করে করতে পারেন।একই কাজ করবে।]
Read more

হঠাৎ মাউস নষ্ট হয়ে গেলে যা করবেন।




হঠাৎ করেই মাউস নষ্ট হলে কি করবেন?
যেনে নিন এখন প্রায় সময়ই দেখা যায়
মাউসে সিঙ্গেল ক্লিক করলে ডাবল
ক্লিক লেগে যায়, আবার অনেক সময়
দেখা যায় দুই তিনটা ক্লিক করলেও
ঠিক মতো ক্লিক লাগেনা। আজকে আমি
আপনাদের দেখাবো জরুরী মূহুর্তে এই
ধরনের সমস্যা হলে মাউস বাদ দিয়ে
কিভাবে কিবোর্ড কেই মাউসে
রূপান্তরিত করে কাজ চালিয়ে যাবেন।
তাহলে চলুন কথা না বারিয়ে
কাজে লাগে পরি।
প্রথমেই আপনার কম্পিউটারের কিবোর্ড
থেকে Num Lock, of করে রাখুন। এবার
কিবোর্ড থেকে এক সাথে Alt +shift+num
Lock চাপুন। এবার দেখুন নিচের চিত্রের
মতো একটি মেসেজ আসবে, নিচের চিত্র
দেখুন।
এবার tab বাটন চেপে yes সিলেক্ট করে
এন্টার চাপুন পুরো বিষয়টা উপরের
চিত্রের মতো হবে। এবার কিবোর্ড এর
num Lock, on করুন, এবার num lock এর
অন্তর্ভুক্ত থাকা বাটন গুলো চাপ দিয়ে
দেখুন আপনার কিবোর্ডটি মাউসে
রূপান্তরিত হয়ে গেছে।
বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই কথা হবে পরবর্তী
টিউনে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো
থাকবেন।
সবাইকে ধন্যবাদ
Read more

পযুক্তির কিছু সর্টফর্ম এর পূর্ণনাম।




১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ —
Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper
Text Transfer
Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper
Text Transfer
Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform
Resource Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet
Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital
Information Resource
Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ —
Subscriber Identity
Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd
Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global
System for Mobile
Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code
Divison Multiple
Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ —
Universal Mobile
Telecommunicati on
System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real
Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio
Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ —
Symbian OS Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ —
Adaptive Multi- Rate
Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java
Application Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java
Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG
player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd
Generation
Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd
Generation Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ —
MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ —
Advanced Audio Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic
Interchangeable
Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ —
Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint
Photographic Expert
Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock
Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ —
Windows Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ —
Windows Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ —
Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ —
Portable Network Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ —
Document (Microsoft
Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ —
Portable Document
Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ —
Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ —
MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia
Theme (series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ —
Themes (Sony Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ —
Synthetic Music Mobile
Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia
Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ —
Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ —
Wireless Bitmap Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX
Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ —
Hyper Text Markup
Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ —
Wireless Markup
Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ —
Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital
Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray
Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital
Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk
Operating System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ —
Graphical User Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ —
Internet Service Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ —
Transmission Control
Protocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ —
Uninterruptible Power
Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ —
High Speed Downlink
Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ —
Enhanced Data Rate for
GSM [Global
System for Mobile
Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very
High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra
High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ —
General Packet Radio
Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ —
Wireless Application
Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ —
Advanced Research
Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ —
International Business
Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett
Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ —
Amplitude/ Frequency
Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ —
Wireless Local Area
Network
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ —
Universal Serial Bus
Read more

পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড ফরমেট হয় না- জেনে নিন এর সহজ সমাধান।

মাঝে মাঝে কিছু ভাইরাসের কারনে পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড ফরমেট হয় না অথবা পেনড্রাইভের স্পেস অনেকটা ব‍্যবহারের অযোগ‍্য হয়ে যায়। যাকে মেমোরির ভাষায় আনএলোকেটেড স্পেস বলা হয়। এই অানএলোকেটেড স্পেস সাধারনভাবে ফরমেট করা যায় না বলে একে কোন কাজে লাগানো যায় না। কম্পিউটারে ডস মোডের মাধ‍্যমে সহজেই এই আনএলোকেটেড স্পেসকে ফরমেট করে ব‍্যাবহার উপযোগী করা যায়। যেসকল পেনড্রাইভ বা মেমোরি সাধারনভাবে ফরমেট করা যায় না তাও এ উপায়ে ফরমেট করা যায়।



তো চলুন শুরু করিঃ
১। প্রথমে কম্পিউটার চালু করে পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড কম্পিউটারে কানেক্ট করে start+run এ যেতে হবে এবং সেখানে cmd লিখে এন্টার চাপতে হবে।
২। ডস মোডে কমান্ড প্রম্পট চালু হবে।
৩। এখানে diskpart লিখে এন্টার চাপতে হবে।
৪। list disk লিখে এন্টার চাপতে হবে।
৫। এখন একটা লিষ্টে পেনড্রাইভ সহ যে মেমোরি ড্রাইভগুলো কম্পিউটারে কানেক্ট করা আছে সেগুলো দেখাবে
৬। select disk 1 লিখে এন্টার চাপতে হবে। (কম্পিউটারে শুধু হার্ডডিস্ক ও পেনড্রাইভ লাগানো থাকলে disk 1 এ পেনড্রাইভ থাকে।)
(আরো ড্রাইভ লাগানো থাকলে disk 2 বা disk 3 হতে পারে। তখন select disk 2 বা select disk 3 লিখে এন্টার চাপতে হবে)
৭। clean লিখে এন্টার চাপতে হবে।
৮। creat partition primary লিখে এন্টার চাপতে হবে।
৯। exit লিখে এন্টার চাপতে হবে।
এখন দেখবেন আপনার পেনড্রাইভের সম্পূর্ণ স্পেস ব‍্যবহারের উপযোগী। যে পেনড্রাইভ বা মেমোরি ফরমেট হত না তা এখন আগের মত ফরমেট দিন। অবশ‍্যই ফরমেট নিবে।
Read more

কম্পিউটার এর ছোট খাটো সমস্যার সমাধান।

কম্পিউটার চালাতে গিয়ে আমরা কতই না বহুমুখী সমস্যার সম্মুখীন হই ।সেই সমস্যা ছোট হোক বা বড় হোক আমরা একদল লোক আছি যারা সমস্যা দেখলেই সার্ভিস সেন্টারে দৌড় দেই ।কিন্তু আপনি চাইলে নিজে নিজেই কম্পিউটারের সাধারণ সমস্যাগুলো সমাধান করে ফেলতে পারেন ।এতে একদিকে যেমন আপনার অর্থ বাঁচবে, তার পাশাপাশি আপনি আস্তে আস্তে হয়ে উঠবেন ছোটখাটো একজন কম্পিউটার এক্সপার্ট । আমার আজকের এই টিউনের উদ্দেশ্য অন্তত তাইই ।সুতরাং আর কথা বাড়াবো না ।চলুন আসল কাজ শুরু করা যাক.....

সমস্যা:সিস্টেম চালু হচ্ছেনা
সমাধান:মেইন পাওয়ার ক্যাবলের সংযোগটি loose কিনা চেক করুন ।যদি ঢিলে না হয় তবে মেইন বোর্ডে পাওয়ার আসছে কিনা দেখুন ।না আসলে বুঝতে হবে পিসির পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটে সমস্যা আছে ।এক্ষেত্রে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট পরিবর্তন করতে হবে ।
সমস্যা:সিস্টেম সঠিকভাবে চলছে কিন্তু মনিটরে কিছু দেখা যাচ্ছেনা ।
সমাধান:সিস্টেম অফ করুন এবং মেইন সিস্টেম থেকে ক্যাবল খুলে ফেলুন ।এবার একটি ইরেজার দিয়ে Ram এর কানেক্টর এবং Ram Slot পরিষ্কার করে র্যামটি আগের মতো লাগান এবংপিসি স্টার্ট করুন ।পিসি অন হওয়ার সময় যদি কোনো বিপ সাউন্ড হয় তাহলে বুঝেই নেন যে আপনার পিসির র্যামটি সমস্যাযুক্ত । যদি Display তে কিছু না আসে তাহলে নতুন Ram লাগান ।কারণ ৫০% ক্ষেত্রে Display না আসার কারণ র্াম এর সমস্যা ।শেষ পর্যন্ত যদি সমাধান না হয় তাহলে আপনার নিকটস্ত কোনো সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে দেখান ।
সমস্যা:সিস্টেম অত্যন্ত গরম হয়ে যায় এবং অস্বাভাবিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় ।
সমাধান:পিসির ক্যাবিনেটটি খুলুন এবং মাদার্বোর্ড থেকে CPU ফ্যানটি সরান ।কিন্তু প্রসেসর সরানো যাবেনা ।ফ্যান খুলার পর হয়তো দেখবেন ভেতরে বা Hit Sink এ প্রচুর ধুলোবালি জমে আছে যা বায়ু চলাচলকে বাধাগ্রস্হ করছে ।এক্ষেত্রে Heat Sink এবং ফ্যানটিকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে জায়গামতো লাগান এবং পিসি অন করুন ।
সমস্যা:কোনোরুপ উত্তপ্ত হওয়া ছাড়াই পিসি কয়েক মিনিট পরপর ShutDown হয়ে যাচ্ছে ।
সমাধান:সতর্কতার সাথে পিসির মাদার্বোর্ড দেখে নিন ।লক্ষ্য করুন লিকযুক্ত বা ক্রুটিপূর্ণ ক্যাপাসিটির উপর থেকে খুলে এসেছে কিনা ।যদি এরকম হয় তবে ক্যাপাসিটরকে ভালো করে লাগিয়ে নিলেই হয় । কিন্তু IC যদি অতিরিক্ত তাপ উৎপাদন করে তাহলে মেরামতের জন্য সার্ভিব সেন্টারে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই ।
সমস্যা:উইন্ডোজ রান করার সময় আটকে থাকে বা হ্যাং করে ।
সমাধান:আপগ্রেড এন্টিভাইরাস দিয়ে ভাইরাস চেক করুন ।যদি ধরা না পড়ে তবে C ড্রাইভ ফরম্যাট করে নতুন করে OS সেটাপ করুন । তবে তার আগে অবশ্যই ডাটার ব্যাকাপ করে নিবেন ।
সমস্যা:পিসির পাওয়ার অন করলে Display আসার পর পিসি হ্যাং করে ।
সমাধান:
প্রথম ধাপ:
পিসির পাওয়ার অফ করে কেসিংয়ের এক পার্শ্ব খুলে হার্ড ডিস্ক, CD/DVD ROM এর ক্যাবল খুলে আবার জায়গামতো লাগান এবং পিসি অন করুন ।এরপরও যদি সমস্যা থেকে যায়-
দ্বিতীয় ধাপ:
মাদারবোর্ডের ক্রতিটি হারাডওয়্যার ভালো করে পরিক্ষা করুন এবং কোনো ক্রুটি থাকলে ঠিক করুন ।এরপরও যদি একই সমস্যা থাকে-
তৃতীয় ধাপ:
মাদারবোর্ডটিকে অন্য একটি পিসিতে সংযুক্ত করে দেখুন ঠিক আছে কিনা ।যদি না চলে তাহলে বুঝে নিবেন মাদারবোর্ডের মৃত্যু হয়েছে :p
সমস্যা:পিসির মেটাল অংশে স্পর্শ লাগলে শক করে ।
সমাধান:পিসির মেটাল অংশে যদি হাত কিংবা স্পর্শ লাগলে শক করে তাহলে বুঝতে হবে আপনার পিসি আর্থিং করানো নেই ।এক্ষেত্রে আপনি একজন ইলেকট্রিশিয়ানের সহায়তায় পিসিটিকে আর্থিং করিয়ে নিতে হবে ।
সমস্যা:পিসির সময় তারিখ ঠিক থাকেনা বা বায়োসের কোনো সেটিংস পরিবর্তন করলে সেইভ হয়না ।
সমাধান:Motherboard এর সংযুক্ত CMOS Battery কার্যক্ষমতা হারালে এমনটি ঘটে ।তাই এক্ষেত্রে একমাত্র সমাধান হল নতুন সিমোস ব্যাটারি লাগানো ।
সমস্যা:মনিটরে কোনো পাওয়ার নেই ।
সমাধান:পাওয়ার বোতাম চালু আছে কিনা নিশ্চিত হন এবং এও নিশ্চিত হন যে AC POWER কর্ডটি পেছনে এবং পাওয়ার আউটলেটে ভালোভাবে সংযুক্ত আছে কিনা ।
সমস্যা:মনিটরে পাওয়ার অন কিন্তু কোনো ছবি নেই ।
সমাধান:মনিটরের সাথে ভিডিও ক্যাবলটি পিসির সাথে ভালভাবে যুক্ত আছে কিনা দেখুন ।না থাকলে দৃঢ়ভাবে লাগিয়ে নিন ।কাজ না করলে Contrast and Brightness ঠিক করে দেখুন ।
সমস্যা:কীবোর্ড কাজ করছেনা
সমাধান:কীবোর্ড পিসির পোর্টের সাথে ভালভাবে যুক্ত আছে কিনা সে বিষয়টি লক্ষ্য করুন ।যদি ঠিক থাকে তাহলে ভাইরাস চেক করে ডিলিট করুন ।তাও যদি না হয় তবে বুঝতে হবে কীবোর্ডটি নষ্ট হয়ে গেছে ।এক্ষেত্র নতুন কীবোর্ড কিনতে হবে ।
সমস্যা:মাউস কাজ করেনা বা মাউস ডিটেক্ট করেনা ।
সমাধান:পিসির পোর্ট চেক করুন এবং বায়োসে প্রবেশ করে দেখুন মাউস Disable করা কিনা ।যদি Disable করা থাকে তাহলে এনাবল করে সেইভ করে বেরিয়ে আসুন ।
সমস্যা:Boot Disk Failure or Hard Disk Not Found ম্যাসেজ প্রদর্শন করে ।
সমাধান:কম্পিউটার বন্ধ করে কেসিং খুলে Motherboard এবং Hard Disk Drive এর সাথে Data Cable এবং Power Supply Unit থেকে Hard Disk সংযুক্তস্থলে কোনো লুজ আছে কিনা তা চেক করুন ।ঠিক থাকলে Hard Disk এর পিছনের জাম্পার সেটিং অনুসরণ করে ড্রাইভটির জাম্পার সেটিং ঠিক আছে কিনা চেক করুন । Hard Disk Failure ম্যাসেজ দেখালে পিসি চালিয়ে বায়োসে প্রবেশ করে হার্ড ডিস্ক ড্রাইভটিকে বায়োসের অপশন থেকে অটো কিংবা ম্যানুয়ালি ডিটেক্ট করে কিনা তা দেখুন ।যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে অন্য একটি ভালো পিসিতে hard disk লাগিয়ে দেখুন চলে কিনা ।কাজ না করলে নতুন hard disk লাগিয়ে নিতে হবে ।
সমস্যা:কম্পিউটার ঘন ঘন হ্যাং করে বা রিস্টার্ট নেয় ।
সমাধান:কম্পিউটারের সিপিউর উপর যুক্ত কুলিং ফ্যানটি না ঘুরলে কিংবা পর্যাপ্ত ঠান্ডা না থাকলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে ।সেক্ষেত্রে পিসির কেসিং খুলে কুলিং ফ্যানটিকে ভালভাবে চেক করতে হবে ।প্রয়োজনে নতুন কুলিং ফ্যান স্থাপন করে নিতে হবে ।এছাড়াও অনেক সময় ভাইরাস সমস্যার কারণেও এমনটি হয়ে থাকে ।তাই আপনার পিসিতে অবশ্যই ভালো মানের কোনো এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করবেন এবং তা নিয়মিত আপডেট করবেন ।ব্যাকডেটেট এন্টিভাইরাস নতুন নতুন ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারেনা ।
আজ এই পর্যন্তই ।আবারও আপনাদের সামনে হাজির হবো নতুন কোনো টিউন নিয়ে খোদা হাফেজ ।
Read more

ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে? সমাধান নিন।

নতুন ল্যাপটপ কেনার পর প্রায় বছর খানেক ভাল ভাবেই সার্ভিস দেয় । এর পর বেশি গরম হয়ে যায় নীল স্ক্রিন চলে আসে মাঝে মাঝে। স্লো হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে আপনার যা করনীয়। যেখান দিয়ে ল্যাপটপের গরম বাতাস বের হয় সেখানে যদি একটি ডিম রেখে দেন তা হলে আমার মনে হয় ডিমটি খাওয়ার উপযুক্ত হয়ে যাবে।
প্রথম ধাপ:---


আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারিরে আইকন টিতে Left বাটনে ক্লিক করে মোর পাওয়ার অপশনে যান। এরপর পরের চিত্র টি দেখুন।

এর পর    High performance    থেকে       Change plan setting --এ ক্লিক করুন। এরপর পরের চিত্র টি দেখুন।

Change advanced power setting ---এ ক্লিক করুন।






 

 এর পর  Step-5,এ ক্লিক করুর  and  Step-6 -এর Plugged in: এখানে ক্লিক করুন। এরপর




Plugged in 85% করে Apply then ok ক্লিক করুন। এরপর রিস্টাট করে দিন ।
এরপর যদি কাজ না করে তবে আপনাকে আরেকটু কষ্ট করতে হবে যেমন:-----------

ল্যাপটপের পিছনের ব্যাক কাভার খুলুন এর পর এই কাজটি করুন যেমন:--------

বাতাস বের হবার রাস্তা এবং ফ্যান ক্লিন করে দিন। এর পর আরেকটি কাজ করবেন যেমন:-----  তার আগে একটি কথা বলে নেই ল্যাপটপ বালিসের উপর রেখে ব্যবহার করবেন না তা হলে আর বেসি গরম হবে। নিচের চিএটি দেখুন

এমন ভাবে ল্যাপটপ বসাবেন যাতে করে বাতাস যাওয়া আসা করতে পারে।  আরো ভালোহবে ল্যাপটপের নিচে পাখা ব্যবহার করুন।    আশারাখি সবার উপকারে আসবে।
Read more